বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কলাপাড়ায় আগাম ঈদ উদযাপন করছে  ৮ গ্রামের ১০ হাজার মানুষ কলাপাড়ায় অদম্য-৯৭ ব্যাচের ইফতার অনুষ্ঠিত কুয়াকাটায় মানববন্ধনের জেরে শ্রমিক দল নেতাকে হত্যাচেষ্টা, পটুয়াখালীর কালাইয়াতে বিপুল পরিমাণ মাদক ও বার্মার সুল্কফাকি দেওয়া চোরাই সুপারি জব্দ ঢাকা দোহা থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার পলাতক আসামী রিয়াজুল র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার মেহেন্দিগঞ্জে ঈদ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে অর্থ বিতরন বিতরণ পটুয়াখালীর গলাচিপায় চাঁদার দাবিতে খেয়াঘাটে হামলা-ভাঙচুর, অর্থ লুটপাট আসন্ন পবিত্র ঈদঁউল ফিতর উপলক্ষে নিত্য প্রয়োনিয় পন্যর দাম স্থিতিশীল ও পরিবহন খাত নিয়ন্ত্রণ রাখতে র‌্যাব ৮ এর অভিযান বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ৫ম প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরিনকে ছাত্রদলের ফুলেল শুভেচ্ছা ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে বরিশাল বেসরকারি সার্ভেয়ার এসোসিয়েশন অনৈতিক ভিডিও ভাইরলের ঘটনায় খেপুপাড়া  বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত কলাপাড়ায় ১৪ হাজার টাকার জাল নোটসহ যুবক গ্রেফতার লৌহ শ্রমিকদল বরিশাল মহানগর ৪ নং পলাশপুর শাখার ইফতার অনুষ্ঠিত ছাত্রদল বিএম কলেজ শাখার ইফতার মাহফিল দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
বরিশালে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মিহির লাল রাজাকারের তালিকায় ৯৪ !

বরিশালে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মিহির লাল রাজাকারের তালিকায় ৯৪ !

Sharing is caring!

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় এবারে বরিশালের যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত মিহির লাল দত্ত’র নাম এসেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছে এ মুক্তিযোদ্ধার পরিবার।

রোববার (১৫ ডিসেম্বর) বরিশাল বিভাগের রাজাকারদের নাম নিয়ে প্রকাশিত তালিকার ২২ নম্বর পাতায় ৯৪ নম্বরে মুক্তিযোদ্ধা মিহির লাল দত্তের নাম উল্লেখ করা হয়েছে রাজাকার হিসেবে। সেখানে তার বাবার নাম জিতেন্দ্র দত্ত ও ঠিকানা আগরপুর রোড উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মিহির লাল দত্তের ছেলে শুভব্রত দত্ত।

শুভব্রত বলেন, আমার বাবা একজন ভাষা সৈনিক ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তার মুক্তিযোদ্ধা গেজেট নম্বর- ২৮৯ ২১/০৫/২০০৫ এবং মুক্তিবার্তা নম্বর- ০৬০১০১১০৬০। এছাড়া মন্ত্রণালয় প্রদত্ত সাময়িক সনদ নম্বর- ম২৮৬১৬। তার নাম কীভাবে রাজাকারের তালিকায় এসেছে সেটা আমার বোধগম্য নয়। যারা এই তালিকার সঙ্গে জড়িত তাদের শাস্তি দাবি করেন শুভব্রত দত্ত।

শুভব্রত আরও বলেন, আমার বাবা, দাদাসহ পরিবারের ৫ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে ২ জন শহীদ হয়েছেন। রাজাকারের তালিকায় বাবার নাম প্রকাশিত হওয়ায় আমরা আতঙ্কিত ও হতাশ।

পরিবার সূত্র জানায়, মিহির লাল দত্ত ১৯৩৫ সালের ১১ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তারা বাবা অ্যাড. জিতেন্দ্র লাল দত্ত, মা শোভা রানী দত্ত। শিক্ষাজীবনে তিনি এম.এ (বাংলা), এম.এ (ইংরেজি), এম.এ ও এল.এল.বি ডিগ্রি নেন। সাংবাদিক মিহির লাল দত্ত একাধারে কবি, নাট্যকার, গীতিকার, ছোট গল্পকার ও ভাষাবিদ। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন তিনি। তারা বাবা জিতেন্দ্র লাল ও মেজ ভাই সুবীর দত্ত পান্থ মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন। ২০০৭ সালের ২০ জানুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মিহির লাল দত্ত।

জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান বলেন, তালিকায় ভুল হতে পারে, সংশোধনের সুযোগও থাকবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD